Posts

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর

ইয়াহিয়া ইবন সাইদ

   Yahya ibn Said

আসিম আল-কুফী

 পুরো নাম আসিম বিন বাহাদালাহ আবী নাজুদ আল আসাদী। উপনাম আবু বকর। তাবেয়ী। জন্ম ৪১ হিজরিতে এবং মৃত্যু ১২৭ হিজরিতে।  তিনি আবু আব্দুর রহমান আল সুলামীর থেকে শিক্ষা লাভ করেন।

আলকামা ইবন কায়স

 ৬২ হিজরিতে মারা যান কুফায়। তাবেয়ি। মুখাদরামীন। সাহাবাদের থেকে হাদিস শুনেছেন। 

আশ-শাবী

 জন্ম ১৯ হিজরিতে। মৃত্যু ১০৪ হিজরিতে কুফায়। তাবেয়ি মুহাদ্দিস। প্রায় ৫০০ সাহাবীর সাক্ষাৎ লাভ করেন। ৪৮ জন সাহাবা থেকে রীতিমতো হাদিস শিক্ষা লাভ করেছেন। ইবনে উমারের খিদমতে ১০ মাস ছিলেন।  আবু হানিফার উস্তাদ।

ইবরাহীম আন-নাখই

 কুফার তাবেয়ী। ৪৭ হিজরিতে জন্ম নেন। ৯৬ হিজরিতে মারা যান কুফায়।  বড় তাবেয়ীদের থেকে হাদিস শুনেছেন। তার থেকেও অন্যান্য তাবেয়িরা হাদিস বর্ণনা করেন। তবে কোন সাহাবী থেকে হাদিস বর্ণনা করেননি। যদিও অনেক সাহাবীকে পেয়েছেন।

ইকরিমা

 ইকরিমা মাওলা ইবন আব্বাস তাবেয়ী আর ইবন আব্বাসের মুক্ত করা দাস। একাধিক সাহাবা ও তাবেয়ীদের থেকে বর্ণনা করেন।  ১০৭ হিজরিতে মদিনায় মারা যান।

সালিম ইবন আব্দুল্লাহ ইবন উমার ইবন খাত্তাব

 তাবেয়ি। বেশিরভাগ হাদিস তার পিতা ইবন উমার থেকে বর্ণনা করেন।  ১০৬ হিজরিতে মদিনায় মারা যান।

ইবন শিহাব আয-যুহরী

  পরিচয়ঃ ইমাম ইবন শিহাব আয-যুহরী  ( Imam  Ibn Shihab az-Zuhri) ।  বয়োকনিষ্ঠ তাবেয়ী। ৫৮ হিজরি মোতাবেক ৬৭৭/৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে জন্ম নেন। মদিনাবাসী।  ১২৪ হিজরিতে সিরিয়ায় (শাম) মারা যান। বিস্তারিতঃ তার পুরো নাম হল  Muhammad ibn Muslim az-Zuhri . তার পিতা মুসলিম আয যুহরি দ্বিতীয় ফিতনার সময়ে জুবায়েরকে সমর্থন জানান। ইমাম আয যুহরি কুরাইশের বানু জুহরাহ গোত্রের ছিলেন। তার জীবনের প্রথম অংশে দারিদ্রতা ছিল। তার স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত ভালো ছিল। তিনি স্লেট আর পার্চমেন্টে তার নোট লিখে রাখতেন।  . শিক্ষকঃ   বয়োকনিষ্ঠ তাবেয়ীদের একজন। সাহাবা ও বড় তাবেয়ীদের থেকে বর্ণনা করেছেন। 

উরওয়া ইবন যুবাইর

 শীর্ষ পর্যায়ের তাবেয়ী। জন্ম ২২/২৩ হিজরিতে। মদিনাবাসী। আয়িশা (রা) তার খালা ছিলেন এবং আয়িশা (রা) থেকে অনেক হাদিস বর্ণনা করেন।  ৯৪ হিজরিতে মারা যান।

সাঈদ ইবন মুসাইয়্যিব

 তাবেয়ী। পিতা ও দাদা সাহাবা ছিলেন। আবু হুরায়রার জামাতা। 

ইবন আব্বাস

  রাসুলুল্লাহ (সা) যখন মারা যান তখন তার বয়স তের বছর। মারা যান ৬৭/৬৮ হিজরিতে।  তিনি একই বিষয়ে বিভিন্ন সাহাবাকে জিজ্ঞাসা করতেন।  

আনাস ইবন মালিক

   পুরো নাম আনাস ইবন মালিক ইবন নাদ্বর ইবন আল-আনসারী আল-খাযরাজী। আনসারী খাযরাজ গোত্রের নাজ্জার শাখার মদিনাবাসী সাহাবি। মৃত্যু ৯৩ হিজরি (৭১২ খ্রিস্টাব্দ)। এসময় ১০৩ বছর বয়স্ক ছিলেন। মায়ের নাম উম্ম সুলাইম বিনতে মিলহান। হিজরতের সময়ে বয়স ছিল ১০।  দীর্ঘ ১০ বছর নবীজির (সা) খেদমতে ছিলেন। পরবর্তী জীবনে বসরায় গমন করেন এবং শেষ জীবনে বসরার জামে মসজিদে হাদিস প্রচার করতেন। তার নির্ভরযোগ্য ছাত্ররা ১৫০ হিজরি পর্যন্ত বেচেঁ ছিলেন। আর দুর্বল  ছাত্ররা ১৯০ হিজরি পর্যন্ত বেচেঁ ছিলেন।  তার ছাত্ররা হলেন:    আনাস ইবন সিরিন আবু কালাবা আবু বাকর ইবন আব্দুল্লাহ আবদুল আজিজ ইবন সুয়াইব ইবন শিহাব আয যুহরি ইয়াজিদ ইবন হারুন।  [২০০ হিজরির পরেও বেচে ছিলেন।]  ইয়াহইয়া ইবন সাইদ আল-আনসারি ইসহাক ইবন আবি তালহা কাতাদাহ মুসান্না ইবন সাঈদ [নট শিউর] মুহাম্মাদ ইবন সিরিন রবীআহ ইবন আব্দুর রহমান সাইদ ইবন যুবাইর সাবিত আল বানানি সুলায়মান আত তাইমি হাসান 

আবদুল্লাহ ইবন উমার ইবন খাত্তাব

  সাহাবী। হাফিযে হাদিস। কুরাইশ বংশের 'আদী গোত্রের সাহাবী।   তার পিতা উমর ইবন খাত্তাবের ইসলাম গ্রহণকালে তার বয়স পাচঁ ছিল। মৃত্যু ৭৩/৭৪ হিজরীতে মক্কায় হিজরত করেন। বদরের যুদ্ধের সময়ে ১৩/১৪ বছর বয়স্ক ছিলেন। পিতার সাথে মদীনায় হিজরত করেন।  তিনি সরাসরি রাসুল (সা) থেকে বর্ণনার পাশাপাশি সাহাবা থেকেও বর্ণনা করেছেন। আবু বকর, উমর, উসমান, আলী, আয়িশা, হাফসা, যায়েদ ইবন সাবিত, আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ থেকেও বর্ণনা করেন।  এবং তার থেকে জাবির ইবন আব্দদুল্লাহ, ইবন আব্বাস, সারিম ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস, গোলাম নাফি হাদিস বর্ণনা করেন।  তার থেকে বর্ণনাকারী তাবেয়ীরা ও শিক্ষার্থীরা হলেন:  সাঈদ ইবন মুসাইয়িব,  আলকামা ইবন ওয়াক্কাস,  আবু আবদির রাহমান আন-নাহদী,  মাসরুক মাসুরুক,  জুবাইর ইবন নুফাইর,  আতা,  মুজাহিদ,  মুহাম্মদ ইবন সীরীন।  আশ-শাবী।  [তিনি ইবন উমরের কাছে এক সাল বসেন তবে ইবন উমার তাকে শুধু একটা হাদিস বর্ণনা করেন।] তার বর্ণিত মোট হাদিস ২৬৩০ টি। সহীহাইন ১৭৩ টি হাদিস বর্ণনা করেন। ৮১ টি বুখারি, ৩১ টি মুসলিম এককভাবে। 

হাসান বসরী

.  ব্যাসিক হাসান বসরী। তাবেয়ী।  মৃত্যু ১১০ হিজরিতে।  . তার শিক্ষক ও সোর্স   ১। মুসলিম ইবন ইয়াসার।   সুফিয়ান ইবন উয়াইনা বলেন, মুসলিম ইবন ইয়াসার মারা গেলে হাসান বসরী বললেন, 'আহ! আমার শিক্ষক!' (মহৎপ্রাণ, ২/১৮৪) .   তার ছাত্র . ক্রিটিসিযম ইবনে সাদের মতে আল-বসরীর মুরসাল অগ্রহণযোগ্য।  যাহাবীর মতে মুদাল্লিস রাবী। মানে যেসব শায়েখের সাথে সাক্ষাৎ প্রমানিত না তাদের থেকে আন সহকারে বর্ণিত হাদিস অগ্রহণযোগ্য।  তবে হাদ্দাসানা বলে রিওয়ায়েত করা হাদিস সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।

ইবনে ওয়াকেদি

 তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে উমার ইবনে ওয়াকেদি আল-আসলামী।  জন্ম ১২০ হিজরীর পরে এবং মৃত্যু ২০৭ হিজরীতে মৃত্যু।

ইমাম তিরমিজি

  ইমাম তিরমিজি 

ইবন আবু যি'ব

 পুরো নাম: আবুল হারিস মুহাম্মদ ইবন আবদির রহমান ইবনুল মুগীরাহ ইবন আবি যি'ব আল-কুরাশি, আল-মাদানী।  জন্ম ৮০ হিজরিতে। মৃত্যু ১৫৯ হিজরিতে। ইমাম মালেকের পাশাপশি শুধু তার থেকে একটি মুওয়াত্তা লেখার কথা জানা যায়।  দেখুন যাহাবী, সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৭/১৩৯-১৪৯। [বুস্তানুল মুহাদ্দেসিন, পৃ ৬৬]

ইমাম মুসলিম

 তার শিক্ষকদের মধ্যে হলেন।  ১। মুহাম্মদ ইবন রুমহ আত-তুজীবী। [বুস্তানুল মুহাদ্দেসিন, পৃ ৬৭]

মুহাম্মাদ ইবন হুমাইদ আর রাযি [মাতরুক]

 Muhammad ibn Humaid al Razi ‘Abdur Rahman ibn Yusuf ibn Khurash said “Ibn Humaid narrated to us, and by Allah, he used to lie.”[7] Ibrahim ibn Yusuf said, “Abu Zur’ah and Muhammad ibn Muslim narrated from Muhammad ibn Humaid many narrations, then they stopped narrating from him.”[8] Al ‘Iraqi said, “He is one of the liars.” Al Bukhari said, “There is scepticism about him.”[9][10] Al Nasa’i said, “He is not trustworthy.”[11][12] Abu Zur’ah considered him a liar.[13] Salih Jazarah said, “I have never seen anyone more skilled in lying and deviating from the truth.”[14] Salih ibn Muhammad al Asadi says, “I have never seen anyone more skilled in lying than Sulaiman al Shadhkuni and Muhammad ibn Humaid.”[15] Yaqub ibn Shaybah said, “Many munkar[16] (contradictory) reports.”[17][18] Al Dhahabi said, “Munkar al hadith (one who reports unacceptable reports).” Ibn Rajab said, “Muhammad ibn Humaid narrates munkar reports and is suspected of lying. So, his solitary narrations that contradict ...